অসহায়ের আকুতি

দেখেছিলাম তারে, দুই রাস্তার ধারে 
পরনে তার ছিন্ন বস্ত্রখানী, 
কয়েকদিনের অভুক্ত সে 
পেটে নেই তার কোন দানাপানি। 

এতটুকু সাহায্যের আশায় 
সে ঘুরছে দুয়ারে দুয়ারে, 
চলা হলো তার দায় 
নুয়ে পরছে সে বয়সে ভারে। 

পদে পদে লাঞ্ছিত হচ্ছে 
বাড়াচ্ছেনা কেউ সাহায্যের হাত, 
আর কতদিন অভুক্ত থেকে 
কাটাবে সে রাত। 

একটি লোক বন্ধুদের নিয়ে রেস্টুরেন্টের দিকে যায় 
সাহায্যের আশায় সে সেদিকে দু হাত বাড়ায়, 
নিজের ছেলের বয়সী লোকটির কাছ থেকে 
ধমক খেয়ে ফিরে আসে এবং কেঁদে ফেলে লজ্জায়। 

সে মনে মনে বলে, তোমরা উচুতলার মানুষ 
কত কিছু করো আহার, 
দুদিনের অভুক্ত এই আমাকে কিছু দিলে 
কি ক্ষতি হতো তোমার? 

আমি গরিব, আমি নিঃস্ব পথের ফকির 
আমি কখনো করিনা ফন্দি ফিকির, 
এই সমাজে তাকায় না কেউ অসহায় আমার দিকে, 
ক্ষুদার জ্বালায় অবশেষে মরি ধুঁকে ধুঁকে। 

তোমাদের কাছে এখন আমার নেইতো কোন দাম 
সবাই আমাকে দুর দুর করে 
কেউ দেয়না কোন কাম। 

ও মোদের সৃষ্টির্কতা ও মোদের প্রভু 
আমাকে নিয়ে যাও তোমার কাছে, 
যেন না হয় হাত পাততে আর কারো কাছে কভু। 

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

বৈঠকঘর