বুদ্ধি বাড়ানোর উপায় (ধাঁধাঁ) লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
বুদ্ধি বাড়ানোর উপায় (ধাঁধাঁ) লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মগজ খাটান বুদ্ধি বাড়ান (ধাঁধাঁ:নম্বর-৩)

একজন সৈনিক একটি রেষ্টোরেন্টে গিয়ে পানি চাইল ।
 কিন্তু হোটেল বয় তাকে পানি না দিয়ে লাঠি দিয়ে আঘাত করল এবং সৈনিকটি তাকে ধন্যবাদ দিয়ে চলে গেল। কেন ?

মগজ খাটান বুদ্ধি বাড়ান (ধাঁধাঁ:নম্বর-৫)

একটি জাহাজে একটি মই আছে যার মাঝে ৬টি তাক রয়েছে। একটি তাক থেকে অন্যটির দুরত্ব ১ ফুট। সবচেয়ে নিচের তাকটি পানি থেকে ১ ফুট উপরে রয়েছে। জোয়ারের সময় প্রতি ১৫ মিনিটে পানি ১২ ইন্চি করে বাড়ে। ১ ঘন্টা পর র্পূণ জোয়ার শুরু হয়। 

তো ১ ঘন্টা পর জাহাজের মইটির কয়টি তাক পানির নিচে থাকবে ? 

মগজ খাটান বুদ্ধি বাড়ান (ধাঁধাঁ:নম্বর-২)

একজন লোক শহরের সবচেয়ে উচু বিল্ডিংয়ের সবচেয়ে উপরের তলায় থাকে। প্রতিদিন সকালে সে লিফটে করে নিচে নামে এবং কাজের উদ্দেশ্যে চলে যায়। কিন্তু যখন সে কাজ শেষে বাসায় ফিরে তখন সে লিফটে করে বিল্ডিংয়ের অর্ধেক র্পযন্ত যেতে পারে যদিনা বাহিরে বৃষ্টি থাকে। 
বলুনতো কেন?

মগজ খাটান বুদ্ধি বাড়ান (ধাঁধাঁ:নম্বর-১)

জনাব ক একটি দোকান থেকে ১০০ টাকা দিয়ে ৩টি পন্য কিনল। ২য়টির দাম ১মটির দামের একদম অর্ধেক, ৩য়টির দাম ২য়টির দামের একদম অর্ধেক। 

এখন বলতে হবে কোন পন্যের দাম কত? 

মগজ খাটান বুদ্ধি বাড়ান (ধাঁধাঁ:নম্বর-৪)

দুজন মহিলা একটি কোম্পানিতে চাকরির জন্য আবেদন করল। তারা দেখতে একইরকম এমনকি তাদের বাবা মায়ের নাম, ঠিকানা এবং জন্ম তারিখ একই।

যিনি তাদের ইন্টারভিউ তিনি নিচ্ছিল তাদের জিজ্ঞেস করল তারা Twin কিনা।
তারা সরাসরি বললঃ না।

তাহলে এটা কিভাবে সম্ভব?

মগজ খাটান বুদ্ধি বাড়ান (ধাঁধাঁ:নম্বর-৩৮)

লিঙ্কন হুসাইন কোমলপানীয় বিক্রির জন্য তপ্তমরুর বুকে নতুন দোকান খোলছে। দোকানে শুধু রেগুলার ও ডায়েট এই দু ধরনের কোমলপানীয় বিক্রি করা হয়। রেগুলার কোমলপানীয়র দাম হলো ৪০ টাকা ও ডায়েট কোমল পানীয়র দাম হলো ৫০ টাকা । তো একদিন স্বপ্নকুটির স্বপ্ন ফেরী করতে করতে আর মাহবুব১৫৪ স্বপ্ন দেখতে দেখতে ঐ দোকানের সামনে গিয়ে উপস্থিত হয়। দুজনই পানীয় কেনার প্রয়োজনীয়তা উপলব্দী করল। তাই তারা ঐ দোকানের একটি ছেলের কাছে ৫০ টাকা করে দিল। দোকানের ছেলেটি স্বপ্নকুটিরকে জিজ্ঞেস করল আপনি কোন ধরনের পানীয় নিবেন? কিন্তু সে মাহবুব১৫৪কে কিছু জিজ্ঞেস না করেই একটি ডায়েট জাতীয় পানীয় ধরিয়ে দিল এবং মাহবুব১৫৪ তৃপ্তি সহকারে তাই খেলো। 

মগজ খাটান বুদ্ধি বাড়ান (ধাঁধাঁ:নম্বর-৩৭)

প্রবাসী আশরাফ অনেক দিন পর দেশে এসেছেন। দেশে এসে তার সাথে আরেক প্রবাসী বন্ধু লোকমানের দেখা। গল্প করা ও খাওয়া দাওয়ার জন্য তারা দুই বন্ধূ একটি হোটেলে গেল। খাওয়া শেষে দেখা গেল বিল এসেছে ১১৫ টাকা। তারা দুজনই সম্পুর্ন বিল নিজের পকেট থেকে দিতে চায়, শেষে বাধ্য হয়ে তারা দুই জন নিজেদের পকেট থেকে ৬০ টাকা করে ১২০ টাকা ওয়েটারের কাছে দিল। হোটেলের ক্যাশিয়ার ওয়েটারের কাছে ৫ টাকা ফেরত দিল। ওয়েটার তার কাছে টিপস হিসেবে ৩ টাকা রেখে বাকি দুই টাকা লোকমান ও প্রবাসী আশরাফকে ফেরত দিল। তো লোকমান ও প্রবাসী আশরাফ ৫৯ টাকা করে মোট ১১৮ টাকা খরচ করলো। ওয়েটার ৩ টাকা রেখে দিল। তার মানে মোট ১২১ টাকা খরচ হলো। তারা দিয়েছিল ১২০ টাকা তাহলে বাকি ১ টাকা কোথা থেকে আসল? 

মগজ খাটান বুদ্ধি বাড়ান (ধাঁধাঁ:নম্বর-৩৬)

এমন একটি জিনিস আছে যেটা খাওয়া যায়। আপনি চাইলে তা কাঁচাও খেতে পারেন আবার পাকাও খেঁতে পারেন। আবার রান্না করেও খাওয়া যায়। কিন্তু অন্য কেউ যখন আপনাকে তা খেতে বলে তখন আপনি রেগে যান। বলুনতো দেখি জিনিসটা কি?

মগজ খাটান বুদ্ধি বাড়ান (ধাঁধাঁ:নম্বর-৩৫)

আলো গরীব ঘরের মেয়ে। তার বাবা মুদি দোকানদার। তারা অন্যের বাড়িতে ভাড়া থাকে। কয়েকমাস যাবত আলোর বাবার দোকানে বিক্রি ভাল হচ্ছে না। সে তিন মাসের বাড়ি ভাড়া দিতে পারেনি। বাড়ির মালিক একদিন এসে আলোর বাবাকে বলল "এ মাসের ১৫ তারিখের মাঝে আমার বাড়ির ভাড়া দিতে হবে নাহলে আলোকে আমার সাথে বিয়ে দিতে হবে।" 

আলোর বাবা গরীব মানুষ সে তিন মাসের ভাড়ার টাকা এই কয়দিনে মাঝে কিভাবে দিবে। তাই সে কয়েকদিন সময় চাইল। তখন বাড়ির মালিক বলল "তাহলে আলোকে একটি পরীক্ষা দিতে হবে। পরীক্ষাটি হল আমি একটি ব্যাগে ২টি পাথর রাখবো একটি হবে কালো পাথর ও অন্যটি হবে সাদা। আলো ব্যাগ থেকে একটি পাথর বের করবে। পাথরটি যদি সাদা হয় তাহলে আমি তোমাদের বকেয়া মাফ করে দিবো এবং তোমরা এখানে থাকতে পারবে। আর যদি সে কালো পাথর বের করে তাহলে আলোকে আমার সাথে বিয়ে দিতে হবে। 

আলোর বাবা এ কথায় রাজি হলো। বাড়ির মালিক কয়েকটি পাথর নিয়ে আসল। সে দুটি পাথর নিয়ে ব্যাগে রাখল। আলো দেখে ফেলল যে বাড়ির মালিক বস্তায় দুটি কালো পাথর রেখেছে। 

সে এটা দেখেও কিছু বলল না কারন সে জানে এ ব্যপারে কিছু বললে বাড়ির মালিক তাকে ছাড়বে না। 

এখন সে কিভাবে তার বাবাকে নিয়ে এই বাড়িতেই থাকবে এবং বাড়ির মালিকের হাত থেকেও বেচে যাবে? 

মগজ খাটান বুদ্ধি বাড়ান (ধাঁধাঁ:নম্বর-৩৪)

আজ দুজন জমজ ভাইয়ের জন্মদিন। 

তাদের বাবা তাদের জন্মদিন পালন করার জন্য আয়তকার একটি কেক নিয়ে আসল। দু ভাই চিন্তা করল কেকটি সমান দু ভাগে ভাগ করে তারা দু জন খাবে। 




ঐ মুহুর্ত্বে তাদের বাসায় তাদের চাচা বেড়াতে আসল। তারা দুজন কেকটি ভাগ করার আগে তাদের বাবা তাদের চাচার জন্য ঐ কেক থেকে একদম গোল করে কেটে একটুকরা কেক নিয়ে গেল। 






এখন তারা কিভাবে কেকটি একদম সমান ভাবে ভাগ করবে?

মগজ খাটান বুদ্ধি বাড়ান (ধাঁধাঁ:নম্বর-৩৩)


আমাদের ব্লগার marmarita আমার মামু অনেকদিন পর দেশে এসেছেন। দেশে এসে একটি জায়গায় ঘুরতে গেছেন। তিনি সেখানের একটি হোটেলে গেলেন কয়েকদিন থাকার জন্য। হোটেলে রুম বুকিং দিয়ে টাকা দিতে গিয়ে দেখলেন উনার মানিব্যাগ হাওয়া হয়ে গেছে। উনার কাছে এখন কোন টাকা নেই। তাই তিনি তার কাছের বন্ধুকে ফোন দিলেন এবং উনার বন্ধু বলল তার আসতে ৭ দিন দেরী হবে। উনার কাছে এখন শুধু ৭ রিংয়ের একটি সোনার চেইন আছে। 




তিনি হোটেল ম্যানেজারকে সব বললেন। ম্যানেজার উনাকে বলল ৭ রিংয়ের সোনার চেইনের বিনিময়ে তাকে সাতদিন থাকতে দিবে। 
তিনি বললেন "আমি চেইনটি এখনই দিয়ে দিতে চাই" 
ম্যানেজার বলল "আমি সাতদিনের বিল প্রথম দিনেই নিতে রাজি নই" 
তিনি বললেন "তাহলে আমি সাত দিন পর চলে যাওয়ার সময় আপনাকে চেইনটি দিয়ে দিব।" 
কিন্তু ম্যানেজার এভাবে আমি রাজি নয়। 
তারপর মামু বললেন "তাহলে প্রতিদিন আমি আপনাকে সাতটি রিং থেকে একটি করে কেটে দিয়ে দিব।" 
ম্যানেজার বলল "না আমি সম্পুর্ণ চেইনটি চাই।" 

মামু ম্যানেজারকে খুব করে বুঝালেন এখানে সাতদিন থাকা কতটুকু গুরুত্বপুর্ন। 

তাই ম্যানেজার বলল "আচ্ছা, আপনি একটি রিং কাটতে পারবেন।" 

এখন বলুনতো আমার মামু marmarita একটি রিং কেটে কিভাবে বিল পরিশোধ করবেন?

মগজ খাটান বুদ্ধি বাড়ান (ধাঁধাঁ:নম্বর-৩২)




আপনি গাড়িতে করে আপনার বন্ধুর বাড়িতে যাচ্ছেন, যেতে যেতে হঠাৎ সামনে দুটি রাস্তা দেখতে পেলেন, 
যার একটি রাস্তায় আছে নড়বড়ে ব্রীজ যা যেকোন মুহুর্তে ভেঙে যেতে পারে। আপনি এই রাস্তা দিয়ে যেতে চাইলে আপনার বন্ধুর বাড়িতে যেতে না পারলেও তাড়াতাড়ি আকাশে চলে যেতে পারবেন। অন্য রাস্তাটি ধরে যেতে চাইলে আপনি আপনার বন্ধুর বাড়িতে কোন ঝামেলা ছাড়াই চলে যেতে পারবেন। কিন্তু আপনি যানেন না কোন রাস্তাটি ভাল এবং কোন রাস্তাটিতে নড়বড়ে ব্রীজ আছে । রাস্তার পাশে দুটি বাড়ি দেখতে পেলেন। একটি বাড়ির লোকজন মিথ্যা কথা বলে এবং অন্য বাড়ির লোকজন সবসময় সত্য কথা বলে। 

মগজ খাটান বুদ্ধি বাড়ান (ধাঁধাঁ:নম্বর-৩১)

আবু জারীর ভাই, শিয়াল পন্ডিত, গুল্লা মিয়া, লিংকন হুসাইন, আঁতেল, আমার মন, অর্নব অর্ক, এ কে এম বোরহানিচ, ইফতেখার বাশার মাহমুদ(পলাশ), মাসউদ ভাই, মাহবুব ১৫৪, স্বপ্ন কুটির, ১৮+, পাংশুল এবং আরো কয়েকজন ব্লগার (মোট ২৩ জন হবে) একটি রুমে বসে আড্ডা দিচ্ছিল। হঠাৎ একজন বলল আসুন আমরা একটি হ্যান্ডসেক অনুষ্ঠানের আয়োজন করি, যার নিয়মগুলো হবে এরকম...... 

মগজ খাটান বুদ্ধি বাড়ান (ধাঁধাঁ:নম্বর-৩০)

একটি ক্রিকেট ট্রুনামেন্ট অনুষ্ঠিত হচ্ছে। 


মগজ খাটান বুদ্ধি বাড়ান (ধাঁধাঁ:নম্বর-২৯)

আমাদের সোনার বাংলাদেশ ব্লগের কয়েকজন আড্ডাবাজ ব্লগার গাড়িতে করে ঘুরতে বেরিয়ে ছিল। সারাদিন ভাল করে ঘুরাঘুরি করে ফেরার সময় সমস্যাই পড়ে গেল। 

তারা যে রাস্তা ধরে ঘুরতে গিয়েছিল ফেরার সময় দেখে সে রাস্তায় কোন এক রাজনৈতিক দল জনসভা বসিয়েছে। এই রাস্তা দিয়ে ফিরতে হলে সারারাত জ্যামে কাটাতে হবে। তারা অন্য রাস্তা ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিল। 

মগজ খাটান বুদ্ধি বাড়ান (ধাঁধাঁ:নম্বর-২৯)

অনেকদিন পর আমার এক বন্ধুর সাথে ফেইসবুকে দেখা। যাকে আমি মনে মনে খুজছিলাম। 

তার সাথে গল্প গুজব করার ফাঁকে সে বলল সে প্রতি রাতে কমপক্ষে ১৮০ বার ঘুম থেকে উঠে এবং আবার ঘুমাতে যায়। এবং সে প্রতিবার ৭ ঘন্টা করে ঘুমায়। 

মগজ খাটান বুদ্ধি বাড়ান (ধাঁধাঁ:নম্বর-২৮)

সোনার বাংলাদেশ ব্লগের ৭ জন ব্লগার (নাম বলবনা নাম বললে উনারা মাইন্ড খাবে) একটি বনে বনভোজন করতে গেছে। বনের পাখি, গাছপালা, পাখির ডাক শুনে সবাই মুগ্ধ। হঠাৎ উনারা সবাই সবাইকে হারিয়ে ফেলল। তারা এক অন্যকে খুজঁতে লাগল। 

একজন ব্লগার অন্যদের খুজঁতে খুজঁতে একটি গুহার ভিতরে প্রবেশ করল এবং দেখতে পেল গুহার ভিতরে অনেকগুলো হীরা পরে রয়েছে। হীরাগুলো পেয়ে সে খুশী হয়ে হীরা গুলো তার সাথে থাকা ব্যাগে ভরতে থাকল এই মুহুর্তে আরেকজন ব্লগার এখানে এসে পরল এবং দুজন মিলে ভাগ করে নিজেদের ব্যাগে হীরা ভরতে থাকল। ভাগ করা শেষ হলে দেখা গেল একটি হীরা বেশী রয়ে গেছে। ঐ অবস্থায় আরেকজন ব্লগার এস উপস্থিত হল এবং তিনজন মিলে ভাগ করার পরও দেখা গেল ১টি হীরা বেশী থেকে যাচ্ছে। তারপর ৪র্থ ৫ম ও ৬ষ্ট ব্লগার আসল এবং ঐভাবে ভাগ করার পরও দেখা গেল ১টি হীরা বেশী থেকে যাচ্ছে। 

যখন ৭ম ব্লগার আসল তখন তারা হীরাগুলো আবার ভাগ করল এবং এবার সমান ভাবে ভাগ হয়ে গেল। কোন হীরা আর অবশিষ্ট রইলনা এবং তারা হীরা নিয়ে খুশী মনে এসে আবার ব্লগে আড্ডা দিতে থাকল। 

মগজ খাটান বুদ্ধি বাড়ান (ধাঁধাঁ:নম্বর-২৭)

প্রবাসী মজুমদার ভাই পাত্রী দেখতে গেছেন। পাত্রীর নাম সেতু। ওরা তিন বোন মিতু, সেতু ও জিতু। মিতু সবার বড়, সেতু মেঝো এবং জিতু হল সবার ছোট। তারা ট্রিপলেট, দেখতে অবিকল একই রকম কিন্তু তাদের মাঝে পার্থক্য হল মিতু সব সময় সত্য কথা বলে, সেতু সব সময় মিথ্যা কথা বলে এবং জিতু কখনো সত্য কখনো মিথ্যা কথা বলে। 

প্রবাসী মজুমদার ভাই যখন পাত্রী দেখতে গেছেন তখন তারা তিনজন তিনটি চেয়ারে বসা ছিল। 
যিনি সবার বাম পাশে বসা ছিল প্রবাসী মজুমদার ভাই তাকে প্রশ্ন করলেন " মাঝে যিনি বসে রয়েছেন তার নাম কি?" সে উত্তর দিল "তার নাম মিতু" 

যিনি সবার মাঝে বসা ছিল তাকে প্রশ্ন করলেন "আপনার নাম কি?" সে উত্তর দিল "আমার নাম জিতু" 

যিনি সবার ডান পাশে বসা ছিল তাকে প্রশ্ন করলেন "মাঝে যিনি বসে রয়েছেন তার নাম কি?" সে উত্তর দিল "তার নাম সেতু" 

তিনি একই প্রশ্ন তিনজনকে করলেন এবং তিনটি ভিন্ন উত্তর পেলেন। উত্তর শুনে উনার মাথা চক্কর দিতে লাগল। 

এখন আমাদের প্রবাসী মজুমদার ভাইকে সাহায্য করুন বলুনতো এখানে কার কি নাম?

মগজ খাটান বুদ্ধি বাড়ান (ধাঁধাঁ:নম্বর-২৬)

আমাদের খান ভাই ‍"মাই নেম ইজ খান" একবার একটি লোকাল বাসে করে একজায়গায় যাচ্ছিলেন। বাসটির সবগুলো সিট যাত্রী দ্বারা ভর্তি ছিল। রাস্তায় কেউ বাস থেকে নেমে যায়নি এবং গন্তব্যস্থলে গিয়েও কোন সিঙেল লোক বাস থেকে নামেনি। বলুন তো কেন? 

মগজ খাটান বুদ্ধি বাড়ান (ধাঁধাঁ:নম্বর-২২)

একজন কোটিপতির একমাত্র ছেলেকে কিডন্যাপার কিডন্যাপ করেছে। কিডন্যাপার একটি হীরার আংটি দাবি করেছে না দিতে পারলে তার ছেলেকে খুন করে ফেলবে। হীরার আংটিটি রেখে আসতে হবে একটি পাবলিক পার্কের মাঝের টেলিফোন বুথে।
সাদা পোষাকদারি পুলিশ পুরো র্পাকটি ঘিরে রেখেছে কিডন্যাপারদের ধরতে এবং হীরার আংটিটি রক্ষা করতে। লোকটি কিডন্যাপারের কথা মত হীরার আংটিটি পাবলিক পার্কের মাঝের টেলিফোন বুথে রেখে আসল কিন্তু পুলিশ হীরার আংটিটি রক্ষা করার জন্য কিছুই করতে পারলনা এবং কিডন্যাপারদেরও ধরতে পারলনা।

বৈঠকঘর