বজ্র মুষ্ঠী

যতই করতে চাও আমাদের পদতলে ধলিতে, 
ততবারই আসব মোরা মোদের কথা বলিতে। 
যতবারই করতে আসবে মোদের কন্ঠ রুদ্ধ, 
ততবারই কন্ঠে হবে আল্লাহু আকবার ধ্বনীত। 
যতবার করবে মোদের কাটার আঘাতে জর্জর, 
ততবারই পাষন্ঠের মনে ফুল ফুটাতে করে যাব চেষ্ঠা নিরন্তর। 

বৃষ্টি ভেজা স্পর্শে আমাকে পাবে




আমি জানি, 
ওগো মোর রাণী 
কেন তুমি বলনা কোন কথা 
তুমি যে লাজুক লতা 
আমি বুঝি তোমার আকুলতা। 
আমার মনের মাঝে 

গুনীজনের কথা "সততা সর্বৎকৃষ্ট পন্থা"

সততা সর্বৎকৃষ্ট পন্থা গুনী জন বলেন,
ডিজিটাল এই যুগে তা কে মেনে চলেন?
মুখে মুখে "সৎ আমি" বলে সব লোকে,
মিথ্যা কথা বলে আজ দিন কাটাচ্ছে তারা সুখে।
সবাই সৎ যদি হবে, 

বাংলাদেশ

বাংলাদেশের নাম শুনে যাই
বলতো এটা কোথায়,
বঙ্গোপসাগরের তীরে বদ্বীপ খানি
পাবে তুমি সেথায়।

কি আছে সে দেশে
বল শুনি ভাই,
সকল দেশের রানী ঐ দেশ
প্রশ্ন কর কি নাই!

গুনীজন বলেন "ভোগে সুখ নাই, সুখ আছে ত্যাগে"

ভোগে সুখ নাই
সুখ আছে ত্যাগে,
এই কথাটি গুনীজন
বলতেন অনেক আগে।

গুনীজনের কথা আজ
কে মানে বল ভাই,
তাদের কথা মানার মত
সময় কারো নাই। 

বাস্তবতা কিংবা নিজেকে ফিরে পাওয়ার গল্প

রাত ১২:১০।

"হ্যালো" ঘুমজরিত কণ্ঠে তপু ফোন তুলে।
"তপু, কিরণকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।" ঐ পাশ থেকে আতংকগ্রস্থ হয়ে আসাদ জানায়।
এটুকু শুনার পরই তপুর চোঁখ থেকে ঘুম পালিয়ে যায়, শুয়া থেকে সে উঠে বসে। আসাদকে জিজ্ঞেস করে "কি হয়ছে বলতো?"
কিছুক্ষণ আগে কিরনের খালা আমাকে ফোন করে বলে সন্ধ্যায় কিরণ বাসা থেকে বের হওয়ার পর আর ফেরেনি। উনি সব আত্মীয় স্বজনের বাসায় ফোন করে খবর নিয়েছেন কিন্তু কেউ তার খবর জানে না।
"আচ্ছা তুই সজীবকে ফোন করে তাকে নিয়ে মোড়ে আয়, আমি এখনি বের হচ্ছি।" বলে তপু ফোন রেখে দেয়।

আমার আর তোমার ব্যবধান।

দুঃখের সাগরে ভেসে জীবন কষ্টে কাটে কারো,
কারো জীবন কাটে সুখের ভেলায় সুখ চায় সে আরো।

আমার আশা দুমুঠো অন্ন আর তুমি চাও আকাশ ছোয়া বাড়ি,
তুমি আছ মস্ত সুখে আর আমার হচ্ছে সুখের সাথে আড়ি।

তুমি চালাও মার্সিডিস বেন্জ আমি চালাই দুই চাকার ঐ ঠেলা,
আমার গায়ে ধুলী মেরে তোমার অহমিকার পথ চলা। 

বৈঠকঘর